বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২৬ - ০৮:০৪
ওজুর অঙ্গে হোয়াইটনার (কারেকশন ফ্লুইড) থাকলে নামাজের হুকুম কী?

ওজুর অঙ্গে এমন কোনো বস্তু থাকলে, যা পানিকে ত্বকে পৌঁছাতে বাধা দেয়, ওজু শুদ্ধ হয় না। তাই নামাজ আদায়ের পর যদি জানা যায় যে হোয়াইটনার (কারেকশন ফ্লুইড) বা এ ধরনের কোনো পদার্থ ওজুর অঙ্গে লেগে ছিল, তাহলে করণীয় কী—এ বিষয়ে শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর ফতোয়ার আলোকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন তাবাতাবায়ী।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: নামাজ আদায়ের পর যদি কোনো মুসল্লি জানতে পারেন যে ওজুর অঙ্গে হোয়াইটনার (কারেকশন ফ্লুইড) বা এ ধরনের কোনো পদার্থ লেগে ছিল, তাহলে তাঁর করণীয় কী? এ বিষয়ে হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন তাবাতাবায়ী, শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী (রহ.)’র ফতোয়ার ভিত্তিতে নামাজ পুনরায় আদায় বা কাজা করার বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

প্রশ্ন: নামাজ আদায়ের পর যদি জানতে পারি যে আমার হাতের বাহুতে হোয়াইটনার (কারেকশন ফ্লুইড) লেগে ছিল। বিষয়টি আমার জানা ছিল না এবং সেই অবস্থায় আমি ওজু করে নামাজ আদায় করেছি। এ অবস্থায় আমার নামাজ কি সহীহ হয়েছে?

উত্তর: ওজুর প্রতিবন্ধক বস্তুটি অপসারণ করার পর পুনরায় ওজু করতে হবে এবং নামাজ আবার আদায় করতে হবে। আর যদি ওই নামাজের সময় শেষ হয়ে যায়, তাহলে তার কাজা আদায় করতে হবে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha